অর্ঘ্য ঘোষ
( এই কলমে এমনই কিছু হারিয়ে যাওয়া মানুষের কথা ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরা হবে যারা নিতান্তই প্রান্তজীবি। বৃহত্তর সমাজে তাদের স্থান নেই বলেলেই চলে। তাদের জন্ম মৃত্যু এমনকি আসল নামও আজ সংগ্রহ করা কঠিন।তাদের পরিবারের লোকেরাও সে তথ্য ঠিকঠাক দিতে পারেন নি।প্রচলিত নামেই তারা আজও এলাকার কারও কারও মনে ধুসর স্মৃতি হয়ে রয়েছেন। স্মৃতির চাদর সরালেই অবয়বটা স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। আমার ছোটবেলায় দেখা মনের মণিকোঠায় ঠাঁই করে নেওয়া ওইসব চরিত্রের সঙ্গে আপনিও মিল খুঁজে পেতে পারেন আপনার দেখা কোন মানুষের মধ্যে )
তার আসল নাম ছিল করুণা ভান্ডারী । স্বামী ছিলেন সুদর্শণ ভাণ্ডারী । তাদের বাড়ি ছিল ময়ূরেশ্বরের তিলডাঙ্গা গ্রামে। স্বামী-স্ত্রী তথাকথিত ' ভেক ' তথা বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার পর যথাক্রমে সুবল বাবাজী এবং করুণা ভৈরবী হিসাবে পরিচিত হন। তবে বৈষ্ণবীকে সবাই ভৈরবী বলেই ডাকতেন।
দুজনেরই চেহারা ছিল বেশ দশাসই। লোকপাড়া ধর্মরাজতলা সংলগ্ন এলাকায় ছিল তাদের আখড়া। সেই আখড়া এখনও আছে। সেখানে এখন বাবাজির বড়ো ছেলে কার্তিক সপরিবারে বাস করেন। ওই আখড়ার ভিতর দিয়েই আমাদের হাসকিং মিল যাওয়ার রাস্তা ছিল। ছোটবেলায় দাদুর আঙুল ধরে ওই রাস্তা দিয়েই আমিও নিয়মিত মিলে যেতাম।যাওয়ার সময় আড়চোখে চেয়ে দেখতাম। তাদের তখন কেমন আলাদা জগতের মানুষ মনে হোত আমার।
প্রায়ই দেখতাম আখড়ার উঁচু দাওয়ার উপরে পদ্মাসনে বসে রয়েছেন বাবাজী। চুড়ো করে বাঁধা চুল। কয়েকজন লোক গোল করে ঘিরে রেখেছে তাকে। বাবাজী একটা কলকেতে টান দিয়ে এক মুখ ধোঁওয়া ছেড়ে কলেকেটা তুলে দিচ্ছেন লোকগুলোর হাতে।লোকগুলোও একই কায়দায় টান দিয়ে তুলে দিচ্ছেন পাশের জনের হাতে।আর মাঝে মধ্যে ' বোম শঙ্কর ' বলে চিৎকার করে উঠছেন। বাতাসে ভেসে আসত একটা কটু গন্ধ। দাদুর গড়গড়ার নলের মাথায় ওই ধরণের অপেক্ষাকৃত বড়ো আকারের কলকে দেখে কলকে সম্পর্কে একটা ধরনা থাকলেও গন্ধটা যে গাঁজার সে ধারণা ছিল না। ভাবতাম দাদুর তামাকের মতোই কিছু হবে হয়তো।
ভৈরবীকে সে সময় দেখতাম দাওয়ার একদিকে বসে সামনে একটা ছোট্ট আয়না রেখে কপালে --নাকে, হাতে রসকলি টানছেন। তার গায়ের রঙ ছিল নিকশ কালো।তাই তার শরীরে রসকলি টকটক করত। তারপর একটা ছোট্ট ঝুড়ি কাঁখে ভিক্ষান্নে বেরোতেন। সাধারনত তার ভিক্ষান্নেই তাদের গ্রাসাচ্ছাদন হত। কিন্তু তার ছিল খুব দুঃখের জীবন। এলাকার মানুষের চোখে তিনি নাকি ছিলেন 'ফোকোস'। কারও গরুতে দুধ দিচ্ছে না , কারও বাচ্চার কান্না থামছে না , এমন ঘটনায় সবাই ধরেই নিতেন সবই নাকি ভৈরবীর দৃষ্টিদানের ফল।
তাই কেউই বাড়িতে তার যাওয়া আসা পচ্ছন্দ করতেন না। কিন্তু কারও পচ্ছন্দ অপচ্ছন্দের উপরে নির্ভর বসে থাকলে তো তার চলত না।কারণ ভিক্ষা না করলে তো তাদের হাঁড়ি চড়ত না। সমস্ত মান-অপমান ভুলে তিনি বাড়ি বাড়ি যেতেন। তখন যাওয়া আটকাতে অধিকাংশ গৃহস্থই তার সামনে একটা নাঙ্গলা মই ( লাঙ্গল দেওয়ার পর জমি সমান করার কাজে ব্যবহৃত ছোট্ট আকারের মই ) ফেলে দিতেন। সেই মই পেরিয়ে নাকি যাওয়া নিষিদ্ধ। আমি নিজেও বার কয়েক অনেককে তার সামনে ওই মই ফেলে দিতে দেখেছি। যখন একটু বয়স বেড়েছে তখন একদিন সাহসে ভর করে ভৈরবীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম -- সবাই তোমার নিন্দে করে , তুমি ওসব করো কেন ? তিনি বলেছিলেন , বিশ্বাস করো বাবু আমিও তোমাদের মতোই মানুষ।কিন্তু কেউ সে কথা বিশ্বাসই করে না। সবাই যদি সামনে মই ফেলে দেয় তাহলে আমরা কোথাই যাব ? আজ ভৈরবী নেই। কিন্তু তার ওই প্রশ্নটা আজও আমাকে ভাবায়।
প্রকাশের বাড়ি ছিল ময়ূরেশ্বরের ভগবতীপুর গ্রামে। পুরো নাম প্রকাশ চন্দ্র দুবে। সে ছিল আমার বন্ধু স্থানীয়। তার বাবা নির্মল দুবে আবার ছিলেন আমার দাদুর ভ্রাতৃস্থানীয়। সেই সূত্রে প্রকাশের বাড়ি আমার যাতায়াত ছিল। প্রকাশেরও যাতায়াত ছিল আমাদের বাড়িতে। এলাকায় পরোপকারী ছেলে হিসাবে পরিচিতি ছিল তার।
প্রকাশের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা মূলত নাইন কিম্বা টেনে পড়াকালীন। সে সময় ভগবতীপুর লাগোয়া রসুনপুর গ্রামে আমাদের একটা হাসকিং মিল ছিল। আমার কাকু শিবপ্রসাদ ঘোষ সেটি দেখাশোনা করতেন। কিন্তু তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেটি দেখভালের দায়িত্ব বর্তায় আমার উপরে। স্কুল যাওয়ার আগে পরে আমাকে যেতে হত মিলে। ছুটির দিনগুলিতে থাকতে হত সারাদিন।
তখন রসুনপুর মোড় গড়ে ওঠে নি।খাবারের কোন দোকানপাটও ছিল না। টিফিন করতে হয় বাড়ি যেতে হত , নয়তো টিফিন নিয়ে আসতে হত। সবদিন টিফিন নিয়ে যেতে মনেও থাকত না। প্রকাশ সেইসব দিনগুলিতে বাড়ি থেকে নিয়ে আসত আলুভাজা , গুড় , নারকেল আর মুড়ি। শুধু আমার জন্যই নয় , নিয়ে আসত তামালদার জন্যও। তামালদা সেই সময় ওই মিল চালাতেন।
প্রকাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ১৯৮২ সাল নাগাদ । সে সময় আমাদের এলাকায় প্রথম বিদ্যুৎ আসে।তখন বিদ্যুৎ নিয়ে আমরা খুব মাতামাতি করতাম। সে রকমই একদিন বাড়িতে বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তার। চোখের সামনে সেলাহাট শ্মশানে পুড়ে ছাই হয়ে যায় প্রকাশ। কিন্তু তার কথা আজও ভুলতে পারি নি।
খুব কাছে থেকে দেখা আদিবাসী সমাজের এক তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতির ঘটনা । একসময় ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল অনেক ঘটনা।সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে এই কাহিনীতে। আদিবাসী সমাজের ভাষা আলাদা , কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ভাবের প্রকাশও আলাদা। কিন্তু দুঃখ , জ্বালা , যন্ত্রণার অভিব্যক্তি মনে হয় মানুষ মাত্রেরই এক।সেই সব জ্বালা যন্ত্রনার অভিব্যক্তি বৃহত্তর সমাজের উপযোগী ভাষা এবং ভাবের প্রকাশ ভঙ্গিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। ত্রুটি -বিচ্যুতি থাকাটাই স্বাভাবিক।তাই সবিনয়ে আগাম মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। একটাই প্রার্থনা , ভালো লাগলে বলুন , বলুন খারাপ লাগলেও।ধন্যবাদ।
করুণা ভৈরবীর কথা
( ৪৭ )
তার আসল নাম ছিল করুণা ভান্ডারী । স্বামী ছিলেন সুদর্শণ ভাণ্ডারী । তাদের বাড়ি ছিল ময়ূরেশ্বরের তিলডাঙ্গা গ্রামে। স্বামী-স্ত্রী তথাকথিত ' ভেক ' তথা বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার পর যথাক্রমে সুবল বাবাজী এবং করুণা ভৈরবী হিসাবে পরিচিত হন। তবে বৈষ্ণবীকে সবাই ভৈরবী বলেই ডাকতেন।
দুজনেরই চেহারা ছিল বেশ দশাসই। লোকপাড়া ধর্মরাজতলা সংলগ্ন এলাকায় ছিল তাদের আখড়া। সেই আখড়া এখনও আছে। সেখানে এখন বাবাজির বড়ো ছেলে কার্তিক সপরিবারে বাস করেন। ওই আখড়ার ভিতর দিয়েই আমাদের হাসকিং মিল যাওয়ার রাস্তা ছিল। ছোটবেলায় দাদুর আঙুল ধরে ওই রাস্তা দিয়েই আমিও নিয়মিত মিলে যেতাম।যাওয়ার সময় আড়চোখে চেয়ে দেখতাম। তাদের তখন কেমন আলাদা জগতের মানুষ মনে হোত আমার।
প্রায়ই দেখতাম আখড়ার উঁচু দাওয়ার উপরে পদ্মাসনে বসে রয়েছেন বাবাজী। চুড়ো করে বাঁধা চুল। কয়েকজন লোক গোল করে ঘিরে রেখেছে তাকে। বাবাজী একটা কলকেতে টান দিয়ে এক মুখ ধোঁওয়া ছেড়ে কলেকেটা তুলে দিচ্ছেন লোকগুলোর হাতে।লোকগুলোও একই কায়দায় টান দিয়ে তুলে দিচ্ছেন পাশের জনের হাতে।আর মাঝে মধ্যে ' বোম শঙ্কর ' বলে চিৎকার করে উঠছেন। বাতাসে ভেসে আসত একটা কটু গন্ধ। দাদুর গড়গড়ার নলের মাথায় ওই ধরণের অপেক্ষাকৃত বড়ো আকারের কলকে দেখে কলকে সম্পর্কে একটা ধরনা থাকলেও গন্ধটা যে গাঁজার সে ধারণা ছিল না। ভাবতাম দাদুর তামাকের মতোই কিছু হবে হয়তো।
ভৈরবীকে সে সময় দেখতাম দাওয়ার একদিকে বসে সামনে একটা ছোট্ট আয়না রেখে কপালে --নাকে, হাতে রসকলি টানছেন। তার গায়ের রঙ ছিল নিকশ কালো।তাই তার শরীরে রসকলি টকটক করত। তারপর একটা ছোট্ট ঝুড়ি কাঁখে ভিক্ষান্নে বেরোতেন। সাধারনত তার ভিক্ষান্নেই তাদের গ্রাসাচ্ছাদন হত। কিন্তু তার ছিল খুব দুঃখের জীবন। এলাকার মানুষের চোখে তিনি নাকি ছিলেন 'ফোকোস'। কারও গরুতে দুধ দিচ্ছে না , কারও বাচ্চার কান্না থামছে না , এমন ঘটনায় সবাই ধরেই নিতেন সবই নাকি ভৈরবীর দৃষ্টিদানের ফল।
তাই কেউই বাড়িতে তার যাওয়া আসা পচ্ছন্দ করতেন না। কিন্তু কারও পচ্ছন্দ অপচ্ছন্দের উপরে নির্ভর বসে থাকলে তো তার চলত না।কারণ ভিক্ষা না করলে তো তাদের হাঁড়ি চড়ত না। সমস্ত মান-অপমান ভুলে তিনি বাড়ি বাড়ি যেতেন। তখন যাওয়া আটকাতে অধিকাংশ গৃহস্থই তার সামনে একটা নাঙ্গলা মই ( লাঙ্গল দেওয়ার পর জমি সমান করার কাজে ব্যবহৃত ছোট্ট আকারের মই ) ফেলে দিতেন। সেই মই পেরিয়ে নাকি যাওয়া নিষিদ্ধ। আমি নিজেও বার কয়েক অনেককে তার সামনে ওই মই ফেলে দিতে দেখেছি। যখন একটু বয়স বেড়েছে তখন একদিন সাহসে ভর করে ভৈরবীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম -- সবাই তোমার নিন্দে করে , তুমি ওসব করো কেন ? তিনি বলেছিলেন , বিশ্বাস করো বাবু আমিও তোমাদের মতোই মানুষ।কিন্তু কেউ সে কথা বিশ্বাসই করে না। সবাই যদি সামনে মই ফেলে দেয় তাহলে আমরা কোথাই যাব ? আজ ভৈরবী নেই। কিন্তু তার ওই প্রশ্নটা আজও আমাকে ভাবায়।
-----০-----
প্রকাশের কথা
( ৪৮)
প্রকাশের বাড়ি ছিল ময়ূরেশ্বরের ভগবতীপুর গ্রামে। পুরো নাম প্রকাশ চন্দ্র দুবে। সে ছিল আমার বন্ধু স্থানীয়। তার বাবা নির্মল দুবে আবার ছিলেন আমার দাদুর ভ্রাতৃস্থানীয়। সেই সূত্রে প্রকাশের বাড়ি আমার যাতায়াত ছিল। প্রকাশেরও যাতায়াত ছিল আমাদের বাড়িতে। এলাকায় পরোপকারী ছেলে হিসাবে পরিচিতি ছিল তার।
প্রকাশের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা মূলত নাইন কিম্বা টেনে পড়াকালীন। সে সময় ভগবতীপুর লাগোয়া রসুনপুর গ্রামে আমাদের একটা হাসকিং মিল ছিল। আমার কাকু শিবপ্রসাদ ঘোষ সেটি দেখাশোনা করতেন। কিন্তু তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেটি দেখভালের দায়িত্ব বর্তায় আমার উপরে। স্কুল যাওয়ার আগে পরে আমাকে যেতে হত মিলে। ছুটির দিনগুলিতে থাকতে হত সারাদিন।
তখন রসুনপুর মোড় গড়ে ওঠে নি।খাবারের কোন দোকানপাটও ছিল না। টিফিন করতে হয় বাড়ি যেতে হত , নয়তো টিফিন নিয়ে আসতে হত। সবদিন টিফিন নিয়ে যেতে মনেও থাকত না। প্রকাশ সেইসব দিনগুলিতে বাড়ি থেকে নিয়ে আসত আলুভাজা , গুড় , নারকেল আর মুড়ি। শুধু আমার জন্যই নয় , নিয়ে আসত তামালদার জন্যও। তামালদা সেই সময় ওই মিল চালাতেন।
প্রকাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ১৯৮২ সাল নাগাদ । সে সময় আমাদের এলাকায় প্রথম বিদ্যুৎ আসে।তখন বিদ্যুৎ নিয়ে আমরা খুব মাতামাতি করতাম। সে রকমই একদিন বাড়িতে বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তার। চোখের সামনে সেলাহাট শ্মশানে পুড়ে ছাই হয়ে যায় প্রকাশ। কিন্তু তার কথা আজও ভুলতে পারি নি।
( চলবে )
পড়ুন / পড়ান
নজর রাখুন / সঙ্গে থাকুন
১৯ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টার মধ্যে প্রকাশিত হচ্ছে
ধারাবাহিক উপন্যাস
সালিশির রায়
সালিশি সভার রায়ে সর্বস্ব হারানো এক আদিবাসী তরুণীর ঘুরে দাঁড়ানোর , অন্যকে দাঁড় করানোর মর্মস্পর্শী কাহিনী অবলম্বনে ধারাবাহিক উপন্যাস --
খুব কাছে থেকে দেখা আদিবাসী সমাজের এক তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতির ঘটনা । একসময় ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল অনেক ঘটনা।সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে এই কাহিনীতে। আদিবাসী সমাজের ভাষা আলাদা , কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ভাবের প্রকাশও আলাদা। কিন্তু দুঃখ , জ্বালা , যন্ত্রণার অভিব্যক্তি মনে হয় মানুষ মাত্রেরই এক।সেই সব জ্বালা যন্ত্রনার অভিব্যক্তি বৃহত্তর সমাজের উপযোগী ভাষা এবং ভাবের প্রকাশ ভঙ্গিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। ত্রুটি -বিচ্যুতি থাকাটাই স্বাভাবিক।তাই সবিনয়ে আগাম মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। একটাই প্রার্থনা , ভালো লাগলে বলুন , বলুন খারাপ লাগলেও।ধন্যবাদ।



No comments:
Post a Comment