লিমেরিক গুচ্ছ
অর্ঘ্য ঘোষ
দাদার ফোড়ন
নিত্য নতুন ফোড়ন দিয়ে মাত করছে দিদির ছোটভাই।
তাই না শুনে দুহাত তুলে নাচছে সবাই তা ধিন ধিন তাই।
নাচছে জগাই,নাচছে মাধাই,নাচছে মিডিয়া
দাদাভাইয়ের বুকখানা তাই যাচ্ছে ফুলিয়া।
কে'না জানে , নাচ দেখতে এমনতরো ফোড়ন দেওয়া চাই।
-----০-----
গঙ্গাবারি
আম - দুধে এক হয়েছে , মোরা খাচ্ছি গড়াগড়ি।
চোর ঢুকেছে সাধুর ঘরে , খোলা পেয়ে বাড়ি।
চোর সাধুতে করছে বড়াই
গঙ্গাস্নানে দোষ কেটে যায়
তাই চোরের মাথায় সাধুরা সব ঢালছে গঙ্গাবারি।
------০------
-শকুন মন্ত্রী
মাঝ আকাশে উড়ছে শকুন , যায় নি স্বভাব ভুলে।
ভাগাড় ভেবে মারছে ছোঁ , নিচ্ছে যা পারছে তুলে।
শকুনেরা মন্ত্রী হলে হবেই এমন হাল,
মিছে তো নয় , স্বাক্ষী পূরাকাল।
সেসব কথা ভাবতে গিয়ে বৃথাই মোদের পাক ধরছে চুলে।
------০------
দাদার মজা
দাদা মোদের মজার লোক,মর্জি হলেই করেন হাজার মজা।
তার মজাতেই মজে মোরা তপ্ত খোলায় হছি ভাজা ভাজা।
তার খুশিতে সবাই কান খুঁজতে ছুটি
কাণ্ড দেখে কাকেরা সব হেসে লুটোপুটি,
মোদের সাথে এমন মজায় দাদা নাকি থাকেন বড়ো তাজা।
-----০----
পড়ুন / পড়ান
নজর রাখুন / সঙ্গে থাকুন
১৯ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টার মধ্যে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে
ধারাবাহিক উপন্যাস
সালিশির রায়
সালিশি সভার রায়ে সর্বস্ব হারানো এক আদিবাসী তরুণীর ঘুরে দাঁড়ানোর , অন্যকে দাঁড় করানোর মর্মস্পর্শী কাহিনী অবলম্বনে ধারাবাহিক উপন্যাস --
খুব কাছে থেকে দেখা আদিবাসী সমাজের এক তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতির ঘটনা । একসময় ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল অনেক ঘটনা।সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে এই কাহিনীতে। আদিবাসী সমাজের ভাষা আলাদা , কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ভাবের প্রকাশও আলাদা। কিন্তু দুঃখ , জ্বালা , যন্ত্রণার অভিব্যক্তি মনে হয় মানুষ মাত্রেরই এক।সেই সব জ্বালা যন্ত্রনার অভিব্যক্তি বৃহত্তর সমাজের উপযোগী ভাষা এবং ভাবের প্রকাশ ভঙ্গিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। ত্রুটি -বিচ্যুতি থাকাটাই স্বাভাবিক।তাই সবিনয়ে আগাম মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। একটাই প্রার্থনা , ভালো লাগলে বলুন , বলুন খারাপ লাগলেও।ধন্যবাদ।



No comments:
Post a Comment