এইতো সমাজ
( ধারাবাহিক নাটক )
ত্রয়োদশ দৃশ্য
( স্থান- বিচার কক্ষ ।বিচারক বসে আছেন বিচার আসনে। তার সামনে দু'জন উকিল। একজন মলয়ের পক্ষে , অন্যজন বিপক্ষে। কৃষ্ণা,আয়ুব, চন্দন, প্রণব দাঁড়িয়ে আছে দর্শকদের জায়গায় , আসামীর কাঠগড়ায় উদাসী চোখে চেয়ে আছে মলয় )
বিচারক - অর্ডার,অর্ডার।
মলয়ের বিপক্ষে উকিল - মিলর্ড,যে যুবক সুস্থ মস্তিস্কে, সবল শরীরে , প্রকাশ্য দিবালোকে তার নিজের জামাইবাবুকে হত্যা করতে পারে , যে একাই একটা বাড়ি লুঠ করতে পারে সে যে কতবড় ক্রিমিন্যাল তা আমি ভাষায় প্রকাশে অক্ষম।সমাজে যদি এ রকম ক্রিমিন্যাল এখনও জীবিত থাকে তাহলে সমাজ তার স্বচ্ছন্দ গতি- টাকে হারিয়ে ফেলবে এটা সুনিশ্চিত। মানুষ ভয় পাবে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে , আত্মীয়তা স্থাপন করতে।এদের যদি উপযুক্ত শান্তি না হয় সমাজের মানুষেরা তাহলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে। মহামান্য আদালতের কাছে আমি এহেন ক্রোধান্ধ যুবকের উপযুক্ত শাস্তি প্রার্থনা করছি।
বিচারক- অর্ডার অর্ডার।
মলয়ের পক্ষে উকিল - মিঃ লর্ড , মহামান্য আদালতের কাছে আমার প্রশ্ন , যে অপরাধীর অপরাধ জীবনে এই প্রথম,তাকে কী মহামান্য আদালতের ক্ষমা করা উচিত নয় ? যখন তার কৃতকর্মের জন্য সে অনুতপ্ত , যে তার মানুষ্যত্বকে বিসর্জ্জন দিলেও বিবেককে বিসর্জ্জন দিতে পারেনি , সে কী মহামান্য আদালতের কাছে ক্ষমা পাবার যোগ্য নয় ? যে অপরাধী তার অপরাধ নিজমুখে স্বীকার করেছে , পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে , তখন মহামান্য আদালত তাকে ক্ষমা করবে এটাই গভীর হতাশার মধ্যে সবারই প্রত্যাশা।
বিচারক -অর্ডার অর্ডার।
মলয়ের বিপক্ষ উকিল - মি লর্ড আমি আগেই বলেছি , যে মানুষ হয়ে ,সুস্থ মস্তিকে , নিদ্বিধায় আর একটা মানুষকে খুন করতে পারে ,তার বিবেক বলে কি কোন বস্তু থাকে ? মহামান্য আদালতের কাছে এটাই আমার জিজ্ঞাসা। আর অনুতাপ ? আমি তো মনে করি অপরাধী শাস্তি এড়াবার জন্য তার অপরাধ স্বীকার করেছে ,অনুতাপের দংশনে নয়। এমতাবস্থায় আদালত যদি তাকে বিনা শাস্তি অথবা ক্ষুদ্র শান্তির বিনিময়ে মার্জ্জনা করেন , তবে পরবর্তীকালে এই নিষ্ঠুর যুবকই সমাজের মানুষের ঘুম কেড়ে নেবে।
বিচারক- অর্ডার অর্ডার।
মলয় - মিল র্ড, আমি কি কিছু বলতে পারি ?
বিচারক - ইয়েস, ইউ হ্যাভ পারমিট।
মলয় - ইয়োর অনার , মিলর্ড আমি বলতে চাই চুরি আমি করতে চাইনি , এই যে এই সমাজই আমাকে চুরি করতে বাধ্য করিয়েছে আর আজ আমাকে সাজিয়েছে চোর। মি লর্ড আমি সৎভাবেই বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু সমাজ আমাকে তা দেয়নি। মি লর্ড যে হতভাগ্য তাই তার অভাগিনী বোনকে শ্বশুর বাড়ি থেকে আনতে গিয়ে ফিরে আসে অপমানিত হয়ে বরপণের টাকার জন্য , সেই হতভাগ্য ভাইটার কাছে টাকা যে কি বস্তু হয়ে দাঁড়ায় আপনাকে আমি তা বলে বোঝাতে পারব না মিলর্ড। যে উপার্জ্জনহীন ভাইএর বুকে বাজে সর্বদা অসহায় বোনের বুক নিংড়ানো কান্না ,মি লর্ড সেই উপার্জ্জনহীন ভাইএর কাছে চুরির অপরাধ কত তুচ্ছ হয়ে যায় তা বলে বোঝানো যায় না। জানেন মি লর্ড এই যে এই সমাজের কাছে আমি টিইশনি পড়াননোর কিছু টাকা অগ্রিম হিসাবে চেয়েছিলাম কিন্তু তাও আমি পাই নি মি লর্ড , বাধ্য হয়ে আমি চুরি করি মি লর্ড। অসহায় অভিমানী বোনকে তার শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার থেকে রক্ষা করতেই আমি চুরি করি মি লর্ড। কিন্তু মি লর্ড যার জন্য আমি চুরি করলাম , সে চাইল না আমার চুরির টাকা দিয়ে তার শ্বশুরবাড়ির
ধার শোধ করতে , তার আগেই সে চলে গেল এ পৃথিবী ছেড়ে। বোনেকে অপমৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য জামাইবাবুকে আমি তখন ক্ষমা করতে পারিনি মিলর্ড , ধর্ম সাক্ষী রেখে যে জামাইবাবু সামান্য টাকার জন্য আমার তার বিয়ে করা বৌকে অর্থাৎ আমার বোনকে অপমৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল,তারও অপমৃত্যু হয়ে গেল আমার ছেঁড়ার ডগায়। মি লর্ড আমি এর পৃথিবীতে একা। মা,বাবা, বোন সবাই আমাকে ছেড়ে চলে গেছে, তাই আমি মনে করি আজ এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা আমার মূল্যহীন। মি লর্ড আজ আমি আদালতের যে সব কথা স্বীকার করেছি তা শাস্তি এড়াবার জন্য নয় , করেছি তা জীবনের প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলেই।
( কান্না )
( চন্দন, আয়ুব, ও কৃষ্ণাও কাঁদতে থাকে )
বিচারক - আগামী কাল আমি বিচারে রায় দেব।
( প্রস্থান )
( পর্দা নেমে আসে )
চর্তুদশ দৃশ্য
স্থান- পূর্ব সজ্জিত বিচারকক্ষ
( আসামীর কাঠগড়ার কাছে মলয় আর কৃষ্ণার কথোপকথন )
কৃষ্ণা- মলয় তুমি ফাস্ট ডিভিসনে পাশ করেছ।
মলয় - কি লাভ হলো বলো , এত কষ্ট করে লেখাপড় শিখে কোন কাজেই লাগাতে পারলাম না। এক্ষুনি হয়তো এপার থেকে ওপারে পাঠাবার আদেশ দেবেন বিচারক মহাশয়।
কৃষ্ণা- মলয় ( কান্না )
মলয় - প্লিজ কেঁদ , এটা আদালত , নানা লোকে নানা রকম ভাববে।এই দ্যাখ আমার দিকে চেয়ে দ্যাখ আমি তো হাসছি।আমিও তো চেয়েছিলাম আমাদের মিলন কিন্তু কি করবো বলো, নিয়তি যে বিরূপ , তিনি যে আমাদের মিলন চান না, তুমি আবার অন্য কাউকে ভালবাসো। তার সঙ্গে শুরু করো তোমার অনাগত জীবন। তুমি সুখী হও এইতো আমি চাই। তুমি সুখী হলে আমিও যে ওপারে গিয়ে সুখী হবো। তোমার সুখে আমার চেয়ে কে আর বেশী সুখী হবে বলতে পার ? আর কেঁদনা, এবার মুখ তোল। হাসিমুখে আমাকে বিদায় দেবার জন্য প্রস্তুত হও। তোমার হাসিটুকুই যে আমার ওপারে যাবার পাথেয় , আমার প্রেরণা , আমার সব।
কৃষ্ণা- মলয় ( বলে আরও প্রবলভাবে কেঁদে ওঠে )
বিচারক- অর্ডার অর্ডার। ( সব নিস্তব্ধ হয়ে যায় , কৃষ্ণা দর্শকের সামনে চলে যায় )
(মলয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বিচারক রায় দিতে শুরু করেন)
বিচারক- ভারতীয় সাংবিধানিক নিয়ম আনুসারে , বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা বলে , ন্যায় ও নীতির ভিত্তিতে, চুরি ও খুনের আসামী শ্রীমান মলয় শর্মাকে ( বলে বিচারক একটু থেমে মলয়ের মুখের দিকে তাকান , সকলে উত্তেজিত হয়ে ওঠে , তার পর তিনি পুনরায় শুরু করেন ) আমি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিলাম।
রামসিং - আইয়ে, আইয়ে। ( বলে মলয়কে নিয়ে যেতে থাকে , মলয় মাথা নীচু করে চলতে থাকে, এমন সময় কৃষ্ণার ডাকে থেমে যায় )
কৃষ্ণা- একটু দাঁড়াও মলয়।
( মলয় গেয়ে ওঠে একটি গান )
মলয়- ( গান ) (১)
না না ন আর পিছু ডেক না।
যা ছিল আশার ও জাল-
যা নিয়ে বেঁচেছিলাম এতটা কাল,
সে তো গ্যাছে ভেঙেই গ্যাছে।
না না আর পিছু ডেক না।
(২)
রাতের স্বপ্ন যদি ভেঙে যায়,
ভাঙা মন কী জোড়া লাগে হায়,
লাগে না , সেতো লাগে না
না না না আর পিছু ডেকো না।
(৩)
একই বাসার পাখীকে যদি যেতে হয় তার প্রিয়াকে ছেড়ে
একলা প্রিয় কী আর বাসায় ফেরে,
ফেরে না, সেতো ফেরে না
না না না আর পিছু ডেক না।
(৪)
বিদায় যদি দিতেই হবে,
হাসি মুখে দাও, কেন বৃথা
কান্নায় চোখ ভেজাবে ,
না না না আর পিছু ডেক না।
( গান শেষ হওয়ার পর একে একে প্রায় সকলেই কেঁদেছে রামসিং মলয়কে নিয়ে যেতে শুরু করেছে )
রামসিং - আইয়ে, আইয়ে -
মলয় - আসি কৃষ্ণা
( রামসিং এর মলয়ের প্রস্থানের পর একে একে সকলের প্রস্থান )
কৃষ্ণা- আমি অপেক্ষা করবো মলয়, তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করবো যতদিন তুমি ছাড়া না পাও ততদিন আমি তোমার পথ চেয়ে বসে থাকব। তুমি যে আমার ,তোমাকে ছাড়া আমি যে বাঁচতে পারি না মলয়।দরকার হলে তোমার
অপেক্ষায় জীবনটা কাটিয়ে দোব মলয় , শুধু তোমারর অপেক্ষায় কাটিয়ে দোব।
( একদিকে কৃষ্ণার প্রস্থান অন্যদিকে কয়েদির পোষাকে মলয় আর বিচারকের প্রবেশ )
বিচারক- মলয় , আমি তোমার বিদ্যাবত্তা আর মেধার কথা শুনেছি। তুমি জেলের মধ্যে আবার পড়াশুনা শুরু করো। আই, এ,এস পরীক্ষা দিয়ে জীবনে বড় হও ,শুধু শুধু নিজের জীববনটাকে নষ্ট করে ফেলো না।
মলয় - কিন্তু ---
বিচারক - কোন কিন্তু নয় মলয়। যে সমাজ তোমাকে বড় হতে দিতে চায় নি,তুমি তাদের দেখিয়ে দাও তাদের সাহার্য্য ছাড়াও বড় হওয়া যায়।
মলয় - আমি তাই করবো , আপনার উপদেশ মাথায় নিয়ে আমি বড় হবো , অনেক অনেক বড় হবো।আই, এ , এস পরীক্ষা দোব।
বিচারক- হাঁ মলয়, এইটাই আমি তোমার কাছে আশা করছিলাম তুমি না একদিন বলেছিলে তোমার বাপুজীর স্বপ্ন ছিল তোমাকে বড় করার ,এবার তুমি তোমার বাপুজীর সেই স্বপ্নটা সত্যি করে তোল মলয় ।হাঁ মলয় , যে সমাজ একদিন তোমাকে স্থান দেয়নি ,সেই সমাজের বুকেই তোমাকে স্থান করে নিতে হবে , মনে করবে এটা তোমার বাপুজীরই ইচ্ছা।
মলয় - আপনার মত সবাই যদি ,আমাকে এরকম করে বড়ো হতে বলতো, তাহলে নিশ্চয় আমি অনেক বড়ো হতে পারতাম।
বিচারক - দেখ মলয় সমাজে সবাই এরকম হয় না ,হতে পারে না , তার জন্য অনুতাপ করে লাভ কি ? তুমি যেটা তোমার অনুতাপের মধ্যে প্রকাশ করবে সেইটাই হবে যে তোমার দুর্বলতা। তোমার পরিচয় তুমি সমাজকে দেখাবে
তোমার কর্মের প্রতিফলনে , চারিত্রিক দৃঢ়তায় , জয়ের গৌরবের মহান মহিমায়।
মলয় -কিন্তু.....
বিচারক -দেখো না , অল্প আনন্দে মানুষ চঞ্চল হয়ে ওঠে , গান গায় , আবার অল্প দুঃখে মানুষ অধীর হয় ,চোখের জলে ভাসিয়ে দেয়, কিন্তু বেশী সুখে দুঃখে মানুষ ভাষা পায় না,প্রকাশ শক্তি হারায়,সে স্থবীর হয়, শুধু উপলধি করে।কিন্তু তোমাকে তাহলে চলবে না মলয়,আনন্দে তুমি চঞ্চলও হবেনা ,দুঃখে কাতরও হবে না।
মলয় - কিন্তু আমি যে আমার সব হারিয়ে বসে আছি।
বিচারক - মলয়, জান নিশ্চয় সব হারানোর মধ্যে কিছু নিশ্চয় পাওয়া যায়।
মলয়- মি লর্ড
বিচারক - দেখো মলয় ,বড় হতে হলে কষ্ট আর নিন্দাকে ভয় করলে চলে না , জীবনে যে বড়ো হয় , তাকে নিন্দা আর কষ্ট সহ্য না করতে হলে , তার বড়ো হওয়ার যে কোন মাহাত্ম্যই থাকে না , তাই নয় কি ?
মলয়- লর্ড আপনি সত্যিই ভগবান।
বিচারক -তুমি সমাজের কাছে তার অন্যায়ের প্রতিশোধ নেবে না ? যে সমাজ তোমাকে চোর বানাল, খুনী সাজাল সেই সমাজের কাছে তুমি প্রতিশোধ নেবে না ?
মলয় - নেবো নিশ্চয় নেবো ?
বিচারক - কিন্তু মলয় , তার আগে যে তোমাকে বড় হতে হবে ,জান তো, আগুন দিয়েই আগুন জ্বালতে হয় ,কাঁটা দিয়েই কাঁটা তুলতে হয়,ছাঁইয়ের গাদায় মশাল গুঁজে মশাল তো জালা যায় না মলয়। তাই আগে তোমাকে বড়ো হতে হবে মলয়।অনেক বড়ো হতে হবে।
মলয় - হ্যাঁ আমি বড়ো হবো , আমি ওদের দেখিয়ে দেব ওদের সাহার্য্য ছাড়াও বড়ো হওয়া যায়।
বিচারক - হ্যাঁ তুমি বড়ো হবে , অনেক বড়ো হবে , এসো তোমার আই, এ, এস পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করি।
মলয় - হ্যা চলুন।
( একদিকে মলয় আর বিচারকের প্রস্থান অপরদিকে কৃষ্ণা আর রুদ্রমশাই এর প্রবেশ )
রুদ্রমশাই - কৃষ্ণা কাল তোকে দেখতে আসবে সাঁইথিয়া থেকে , খুব বড়োলোক ওরা , দেখিস ওদের সামনে যা তা কিছু বলে বসিস না যেন।
কৃষ্ণা- আমি তো তোমাকে আগেই বলেছি জ্যাঠামশাই, বিয়ে আমি করবো না।
রুদ্রমশাই - কেন বিয়েটা করবে না কেন শুনি ?
কৃষ্ণা - আমি মলয়কে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করতে পারব না জ্যাঠামশাই।
রুদ্রমশাই - ছি, ছি, তোমার বলতে লজ্জা করে না একটা খুনী চোর বখাটে ছেলেকে বিয়ে করবো বলতে ?
কৃষ্ণা - জ্যাঠামশাই --
রুদ্রমশাই - ওসব আজে বাজে কথা ছেড়ে দাও , কাল ওরা দেখতে আসবে, তোমাকে বলে রাখলাম।
( প্রস্থান )
কৃষ্ণা - জ্যাঠামমশাই জোর করে আমার বিয়ে না দিয়ে ছাড়বেন না, রাঘব বোয়াল জাতীয় কোন ধনী পুত্রের সঙ্গে আমার বিয়ে দেবেনই। কিন্তু না ,মলয়কে ছাড়া আর কাউকেই আমি বিয়ে করতে পারব না। ওকে ছাড়া আমি যে কাউকেই কল্পনাও করতে পারি না।ভাবতেও আমার ঘৃণা করে। মলয় ছাড়া অন্য কারোর বৌ হতে পারব না ,মলয় যে আমার ধ্যান, জ্ঞান ,সাধনা , বাসনা , কামনা , স্বপ্ন সব।প্রতি রাতের শেষে ভোরের বেলায় মলয়কে যে আমি স্বপ্ন দেখি।মলয়ের জন্য আমি অপেক্ষা করবো।চলে যাব বাড়ি থেকে ,গভীর রাত্রে বাড়ির সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়বে তখন যাব , কেউ জানতে পারবে না , চলে যাব জনসমুদ্রে কলকাতায়।উঠব কোন বড় হোটেলে।
( বলে মঞ্চে রাখা সুটকেস নিয়ে প্রস্থান )
( পর্দা নেমে আসে )



No comments:
Post a Comment