Short story, Features story,Novel,Poems,Pictures and social activities in Bengali language presented by Arghya Ghosh

কীর্তি যস্য -- ৯ ( গীতিকন্ঠ)



            
                                 
    

    লেখায় জীবনের ছবি আঁকেন                        গীতিকণ্ঠ 





                                                                      


                           অর্ঘ্য ঘোষ 





পেশায় পঞ্চায়েত কর্মী। কিন্তু নিজেকে সাহিত্যকর্মী বলতেই ভালো বাসেন গীতিকণ্ঠ মজুমদার। সাহিত্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন মানুষের জীবনযন্ত্রণা , হাসি কান্না , সুখদুঃখের কথা। তাতেই খুঁজে পান জীবনানন্দ। আর সেই আনন্দের টানেই ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। প্রান্তজীবি মানুষের সঙ্গে মিশে যান প্রান্তজনের মতো। মাটির মানুষ বলতে যাদের বোঝায় তিনি তাদেরই একজন।



                             বর্তমানে বোলপুরের সীমান্তপল্লির বাসিন্দা হলেও গীতিকন্ঠবাবুর আসল বাড়ি ময়ুরেশ্বরের রাতমা গ্রামে। ১৯৬০ সালের ৫ জুন সংলগ্ন নন্দীগ্রামে মামারবাড়িতে তার জন্ম। বাবা প্রমথনাথ মজুমদার ছিলেন কৃষিজীবি। মা অভয়াদেবী গৃহবধু। সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট গীতিকন্ঠবাবু গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে থেকে প্রাথমিকের পাঠ শেষ করে স্থানীয় দক্ষিণগ্রাম হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। সাঁইথিয়া অভেদানন্দ মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং বি,এ পাশের পর পঞ্চায়েত কর্মী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পাশাপাশি সমান তালে চলে সাহিত্য চর্চা। লেখায় ছবির মতো তুলে ধরেন মানুষের জীবন যন্ত্রনার কথা।


                             স্কুলজীবন থেকেই মূলত কবিতা লেখার মধ্যে দিয়ে তার সাহিত্যচর্চার হাতেখড়ি। দ্বাদশ শ্রেনীতে পড়ার সময় রামপুরহাট থেকে প্রকাশিত ‘ অগ্নিশিখা ’ পত্রিকায় ছাপা হয় তার প্রথম কবিতা ‘ হৃদয়শ্রী।’  কলেজে পড়াকালীন কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘ জনমন জনমত ’  পত্রিকায় ছাপা হয় প্রথম গল্প ‘ আইবুড়ো ছেলে।’ তারপর বিভিন্ন সময় কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দমেলা , প্রসাদ , সংলাপ , উদ্বোধন , আন্দামান থেকে প্রকাশিত দ্বীপবানী সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেড় শতাধিক গল্প কবিতা ছাপা হয়েছে। বিভিন্ন অভিজাত প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে উনিশটি উপন্যাস , ছয়টি প্রবন্ধ সহ আটত্রিশটি  বই। তারমধ্যে ‘আসরের বিচার’ , ‘ জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস ’ ‘ গীতাঞ্জলী বৃদ্ধাশ্রম ’ উপন্যাস এবং ‘ রবীন্দ্রনাথের ধর্মভাবনা ’ , ‘ নজরুল প্রসঙ্গ ’ ও ‘ সত্যজিৎ রায় ’ প্রবন্ধের বই উল্লেখযোগ্য। 


                                সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি একসময় ' দৈনিক রাজপথ ' ,'  দৈনিক বঙ্গলোক ' , ' সাপ্তাহিক নয়াপ্রজন্ম ' সহ বেশ কিছু পত্রিকায় সাংবাদিকতাও করেছেন। ২০০১ সাল থেকে ‘গোধূলি সঙ্গীত ’ নামে একটি ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করে চলেছেন। সেখানে প্রবীণদের পাশাপাশি নবীনদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছেন। লেখালিখির সুবাদে সাগরময় ঘোষ , বিমল মিত্র , সমরেশ মজুমদার , পার্থ চট্টোপাধ্যায় , দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো প্রথিতযশা সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ পেয়েছেন।

   
                                সাংবাদিকতা এবং সাহিত্যকীর্তির জন্য ' বেঙ্গল পোয়েট্রি অ্যাকাডেমি ' , ' জীবনবাদী সাহিত্য সংগঠন ' , '  প্রতিভা সাহিত্য সংস্থা '  ,' মাইকেল মধুসূদন অ্যাকাডেমি ' ,'  প্রসাদ পত্রিকা গোষ্ঠী'  , ' নয়াপ্রজন্ম পত্রিকা গোষ্ঠী '  , ' বীরভূম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন '  সহ বিভিন্ন সংগঠন তাকে বিভিন্ন সময় পুরস্কৃত করেছে।


                                
                              স্ত্রী বানী আর একমাত্র ছেলে পুরুষোত্তমকে নিয়ে গীতিকন্ঠবাবুর ছোট্ট সংসার। পঞ্চায়েতের কাজ আর সংসার সামলে একাগ্রচিত্তে সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন তিনি। তার লেখায় মানুষের জীবনযন্ত্রণা প্রাধান্য পায়। মানুষের হাসি-কান্না সুখ-দুঃখ ছবির মতো ফুটে ওঠে। মানুষের জীবনযন্ত্রণা তাকে নাড়িয়ে দেয়। ভাবিয়ে তোলে। তাই মানুষের জীবন যন্ত্রণার কথা  পাঠক সমাজের কাছে পৌঁচ্ছে দেওয়ার ব্রত পালন করে চলেন।


                                 
                            ----০----




     নজর রাখুন / সঙ্গে থাকুন 


শীঘ্রই দেশ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হতে চলেছে আমার তৃতীয় উপন্যাস ------
  
                                  


                    


অর্পিতা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে সালিশির রায়ে সর্বস্ব হারানো এক আদিবাসী তরুণীর কথা ও কাহিনী---  







দেশ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে -----







                   ----০---







No comments:

Post a Comment